আর জি কর ইস্যুতে ছাত্রদের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার নবান্ন অভিযানের ডাক দেওয়া হলে, অভিযানে পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ তুলে বিজেপি বুধবার ১২ ঘণ্টার বাংলা বন্ধের ডাক দেয়। বুধবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
দুর্গাপুর বাস স্ট্যান্ডে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার টিকিট কাউন্টারে বিজেপি কর্মীরা ভাঙচুর চালায়। চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপি নেতাকর্মীরা স্টেশন সংলগ্ন সরকারি টিকিট ঘরে ভাঙচুর চালায়, যেখানে তাদের লাঠি নিয়ে টিকিট কাউন্টারের জানালার কাঁচ ভাঙতে দেখা যায়।
ঘটনার সময় সেখানে পুলিশ উপস্থিত ছিল না, তবে পরে পুলিশ আসে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসবিএসটিসির চেয়ারম্যান সুভাষ মন্ডল নিউজ হান্টকে জানান, "সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করার জন্য আইন অনুযায়ী যা করার প্রয়োজন, আমরা তাই করব।" কোকওভেন থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পরে ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ভাঙচুরের ফলে টিকিট পরিষেবা কিছুক্ষণ বন্ধ থাকে।
এদিকে, দুর্গাপুরের মুচিপাড়ায় ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বনধ কার্যকর করার চেষ্টা করলে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের নেতৃত্বে বনধের বিরোধিতা করা হয়। পুলিশের সামনেই পঙ্কজ রায় সরকারকে বিজেপি কর্মীদের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।

