Saturday, 20 Jun 2026

বামেদের মিছিলে হামলার অভিযোগ, রণক্ষেত্র দুর্গাপুর

IMG

আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে ডিওয়াইএফআই-এর মিছিলকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার এলাকায় পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। মিছিলের ওপর শাসকদলের হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা সিটিসেন্টারকে রীতিমতো রণক্ষেত্রে পরিণত করে। আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে র‍্যাফ নামানো হয়। সিপিএমের দলীয় দপ্তরে বোমাবাজির ঘটনাও ঘটে।

বুধবার, একদিকে ১২ ঘণ্টার বনধের ডাক দেয় বিজেপি। এই বনধকে কেন্দ্র করে দুর্গাপুরের বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিকেলে, আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসকের খুনের প্রতিবাদে ডিওয়াইএফআই সিটিসেন্টার এলাকায় একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করে। মিছিলটি যখন ডিএমসি মোড়ের কাছে আসে, তখন তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ডিওয়াইএফআই কর্মীদের প্রথমে বচসা বাধে, যা দ্রুত হাতাহাতির রূপ নেয়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি, যা সামাল দিতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয়। এরই মধ্যে, সিপিএমের দলীয় দপ্তর বিমল দাশগুপ্ত ভবনে হামলার অভিযোগ ওঠে, যেখানে ভাঙচুর ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ডিওয়াইএফআই-এর কয়েকজন কর্মী জখম হন, এবং শাসকদলের পক্ষ থেকে পঙ্কজ রায় সরকার দাবি করেন, ৯ জন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন। কয়েকজন পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।

বাম নেতা ভজন চক্রবর্তী বলেন, "ডিওয়াইএফআই-এর মিছিলের ওপর তৃণমূল হামলা চালিয়েছে এবং আমাদের পার্টি অফিসে ভাঙচুর করেছে। পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটে, অথচ পুলিশ ছিল নির্বিকার। তবে এর জবাব মানুষ দেবে, আমরা মানুষকে নিয়ে এর মোকাবিলা করবো।"

অন্যদিকে, তৃণমূল নেতা পঙ্কজ রায় সরকার বলেন, "আমরা নিজেদের মতো মিছিল করছিলাম, কিন্তু আমাদের মিছিলের ওপর ডিওয়াইএফআই ও বিজেপি মিলে হামলা চালায়। আমাদের ৯ জন কর্মী আহত হয়েছে।"

আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি (পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা বলেন, "আমরা মামলা করে তদন্ত করবো। এই ঘটনায় যারা অভিযুক্ত, তাদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Share: