Fear of theft continues to haunt residents of the industrial township
গত ২৪ ঘণ্টায় দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠে এল দুই বিপরীত ছবি—একদিকে সাফল্য, অন্যদিকে উদ্বেগ। একটি ঘটনায় পুলিশের তৎপরতায় চুরির কিনারা হলেও, আরেক ঘটনায় দুঃসাহসিক চুরি নতুন করে নিরাপত্তা প্রশ্ন তুলে দিল।
শুক্রবার সকালে দুর্গাপুরের কনিষ্ক মার্কেট এলাকায় একটি ওষুধের দোকানে চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে দুষ্কৃতীরা দোকানের ওপরের টিনের চাল কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। তারা শুধু প্রায় ২৫ হাজার টাকা নগদ ও দামি ওষুধই লুট করেনি, বরং অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্ক খুলে নিয়ে যায়, যাতে কোনো প্রমাণ না থাকে। সকালে দোকান খুলে ভাঙাচোরা ও লন্ডভন্ড অবস্থা দেখে মালিক সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। দুর্গাপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে।
অন্যদিকে, একই দিনে পুলিশের এ-জোন ফাঁড়ির তৎপরতায় একটি পুরনো চুরির ঘটনায় বড় সাফল্য আসে। বেনাচিতির অন্নপূর্ণা নগরে গত ২৬ ডিসেম্বর একটি ফাঁকা বাড়িতে চুরি হয়। বাড়ির মালিক প্রেম কুমার ভার্মা ৩ জানুয়ারি ফিরে এসে দেখেন, আলমারি ভেঙে নগদ ২০ হাজার টাকা, সোনা-রুপোর অলঙ্কার ও মূল্যবান বাসনপত্র চুরি গেছে।
তদন্তে নেমে পুলিশ ওই এলাকারই তিন প্রতিবেশীকে গ্রেফতার করে। ধৃতদের কাছ থেকে চুরি যাওয়া নগদ টাকা ও সমস্ত গয়না উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের অনুমান, পরিচিত পরিবেশের সুযোগ নিয়ে এবং পাড়ার নজর এড়িয়ে এই চক্রটি চুরির পরিকল্পনা করেছিল।
একই দিনে ঘটে যাওয়া এই দুই বিপরীতধর্মী ঘটনায় শহরবাসীর প্রতিক্রিয়াও দ্বিমুখী। একদিকে চুরির ঘটনায় দ্রুত সাফল্যে পুলিশের প্রতি আস্থা বেড়েছে, অন্যদিকে কনিষ্ক মার্কেটের মতো ব্যস্ত এলাকায় টিনের চাল কেটে চুরির ঘটনায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

