রবিবার খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায় পাণ্ডবেশ্বর থানার কুমারডিহি গ্রামের দশ বছরের যমজ দুই বোন, স্নেহা ও স্নিগ্ধা বাউড়ি। রবিবার সকালে স্থানীয় উদয়ন সংঘের মাঠে তাদের শেষবার দেখা গিয়েছিল। তারপর থেকেই তারা নিখোঁজ। ঘটনার খবর পাওয়ার পর পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ তদন্তে নামে। তবে চার দিন পরেও যমজ বোনদের সন্ধান মেলেনি, ফলে পরিবারে উদ্বেগ ক্রমশ বেড়ে চলেছে।
যেখানে শেষবার স্নেহা ও স্নিগ্ধাকে দেখা গিয়েছিল, সেখান থেকে পরদিন সোমবার সকালে উদ্ধার হয় তাদের প্রতিবেশী উজ্জ্বল বাউড়ির ঝুলন্ত মৃতদেহ। স্থানীয়দের অনুমান, নিখোঁজ দুই বোন এবং উজ্জ্বলের অস্বাভাবিক মৃত্যুর মধ্যে কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে। উজ্জ্বলের মৃতদেহ উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে তদন্তের জন্য উপস্থিত হন থানার আধিকারিক এবং শীর্ষ পুলিশ কর্তারা। ঘটনাস্থলের আশপাশে সূত্র খোঁজার জন্য তল্লাশি চালানো হয় এবং রহস্য উদঘাটনের জন্য প্রশিক্ষিত পুলিশ কুকুরও আনা হয়। বুধবারও পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তবে স্নেহা ও স্নিগ্ধার এখনো কোনো সন্ধান মেলেনি।
দুই বোনের মামা অভিজিৎ বাউড়ি জানান, তার দিদি কবিতা বাউড়ির বিয়ে হয়েছিল কাজোড়া গ্রামের বাসিন্দা বাপি বাউড়ির সঙ্গে। পরে কবিতা বাউড়ি বারাবনি থানা এলাকার এক ব্যক্তির সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন। সেই থেকে স্নেহা ও স্নিগ্ধা কুমারডিহিতে তাদের কাছেই থাকত। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মা কবিতা বাউড়ি এবং বাবা বাপি বাউড়িকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তবে তাদের কাছ থেকেও শিশু দুটির নিখোঁজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

