Saturday, 20 Jun 2026

দুর্গাপুর মহকুমায় এ বার সংগঠন তৈরি করছে ISF

IMG

ISF is forming an organisation in the Durgapur subdivision this time

দুর্গাপুর মহকুমায় এ বছর সংগঠন বিস্তারে সক্রিয় হয়েছে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। শুক্রবার বিকেলে পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার জেমুয়া গ্রামে শতাধিক কর্মী ও সমর্থক দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। দলের কর্মীদের দাবি, ইতিমধ্যেই দুর্গাপুর মহকুমায় প্রায় ৫০০ জন আইএসএফের সদস্য হয়েছেন এবং তিনটি বুথ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে দুর্গাপুর বা পাণ্ডবেশ্বর কেন্দ্রে প্রার্থী দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে তাঁরা নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। তাঁদের বক্তব্য, এই সিদ্ধান্ত নেবেন দলের নেতা নওশাদ সিদ্দিকি।


উল্লেখ্য, কয়েক মাস আগে দুর্গাপুর পুরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রথমবার আইএসএফের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন কয়েকজন যুবক। তখন নিরাপত্তার কারণে গোপনে সেই কর্মসূচি করা হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার জেমুয়া গ্রামের কর্মসূচির চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন।


পতাকা উত্তোলনের পর কর্মীদের একাংশ জানান, আগে তাঁরা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কিন্তু রাজ্যে শিল্প গড়ে না ওঠা, বেকারত্ব বৃদ্ধি এবং উন্নয়নের অভাবের কারণেই তাঁরা তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগ দিয়েছেন। দলের কর্মী শেখ আবদুল মান্নান বলেন, “শিল্প বলতে শুধু চটপটি, চপ আর ঘুগনি। প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি। বাম আমলে জেমুয়া গ্রামের কাছে কুনুর নদীর উপর একটি স্থায়ী সেতু তৈরির কথা হয়েছিল, কিন্তু তৃণমূল সরকার আসার পর ১৫ বছরেও সেই সেতু তৈরি হয়নি।” তিনি আরও জানান, তাঁদের দলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছেন।


তবে এই ঘটনাকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ পাণ্ডবেশ্বরের বিধায়ক ও পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। তাঁর বক্তব্য, “একটি শিশুর জন্ম থেকে শুরু করে মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। নানা সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে মানুষ সুযোগ-সুবিধা ও আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গেই আছেন। কে কোথায় পতাকা তুলল, তা নিয়ে আমাদের কোনও চিন্তা নেই।”

Share: