Sayani Ghosh joins the grand rally in Panagarh in support of 21st July.
পানাগড়ে একুশে জুলাইয়ের সমর্থনে তৃণমূলের মিছিল ও সভা, উপস্থিত ছিলেন সায়নী ঘোষ সহ শীর্ষ নেতৃত্ব। একুশে জুলাইয়ের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পানাগড়ে দার্জিলিং মোড় থেকে গুরুদুয়ারা পর্যন্ত এক বিশাল মিছিলের আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। মিছিলে নেতৃত্ব দেন দলের রাজ্য যুব সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। মিছিল শেষে গুরুদুয়ারার সামনে একটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বক্তব্য রাখেন দলের একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা।
এদিন মিছিলে ও সভায় সায়নী ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী এবং কাঁকসা ব্লক ও জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। কয়েক হাজার কর্মী-সমর্থক এই কর্মসূচিতে যোগ দেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে সায়নী ঘোষ বলেন, "প্রধানমন্ত্রী দুর্গাপুরে আসছেন—তাকে স্বাগত। তবে মানুষের কষ্টার্জিত টাকার অপচয় যেন না হয়। ২০২৬ সালের নির্বাচন পর্যন্ত বাংলায় থাকুন, কারণ ভোট এলেই তো বিজেপি নেতারা ‘ডেলি প্যাসেঞ্জারি’ শুরু করবেন।"
তিনি আরও বলেন, "তৃণমূল সবসময় ময়দানে রয়েছে, প্রস্তুত রয়েছে। ২৬-এর নির্বাচনে খেলা হবে। বিজেপির নেতারা যতই স্বপ্ন দেখুন, বাংলার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে রয়েছেন।"
প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের বিষয়ে সায়নী কটাক্ষ করে বলেন, "তিনি কি এবার উন্নয়নের কথা বলবেন? কটি চাকরি হয়েছে, কটি স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল হয়েছে তা বলবেন? নাকি আবার হিন্দু-মুসলিম, ভারত-পাকিস্তান এসব বিভাজনের কথাই বলবেন? বাংলা ও বাংলা ভাষাকে অবহেলা করে, বঞ্চিত করে কীভাবে বাংলায় মুখ দেখাবেন, সেটাই প্রশ্ন।"
তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যতই আসুন না কেন, তাতে পেট্রোল বা ডিজেলের দাম কমবে না। চিত্রটা একই থাকবে।”
সব ধর্মের মানুষকে সম্মান জানানোর বার্তা দিয়ে সায়নী বলেন, “বিজেপি শুধু ধর্মের বিভাজনের রাজনীতি করে, আমরা সব সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চলি।”
মঞ্চ থেকে বিজেপির উদ্দেশ্যে সায়নী ঘোষ বলেন, “পানাগড়ের এই মিছিল শুধু ট্রেলার, পুরো ছবি দেখা যাবে একুশে জুলাইয়ের সভায়।” প্রধানমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আপনি মান কি বাত করেন, আর দিদি কাম কি বাত করেন—এই হলো তফাৎ।"

